প্রকাশিত: ০৯/০৯/২০১৭ ৯:২২ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ১:৪৮ পিএম
Single Page Top

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সকল বিষয় পর্যবেক্ষণে রাখতে স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ‘রোহিঙ্গা তদারকি সেল’ গঠন করেছে।

৬ সেপ্টেম্বর গঠিত সেলটির প্রধান সমন্বয়ক জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) সামছুর রহমান ও সমন্বয়ক রয়েছেন যুগ্ম সচিব শফিকুর রহমান। ফোকাল পয়েন্ট উপসচিব আবু হেনা মোস্তফা জামান, মোহাম্মদ ফারুক-উজ-জামান ও মনির হোসেন চৌধুরী।

সেলের কাজ হবে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গাদের সকল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা। সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহায়তা নেবে সেল।

গত ২৪ আগস্ট থেকে দু’ সপ্তাহে সীমান্ত দিয়ে ঢুকেছে দেড় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এক বিরাট মানবিক বিপর্যয় বলে বিশ্ব সম্প্রদায় স্বীকার করছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সেলের কর্মকর্তারা কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলাসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গা শরাণার্থীদের আশ্রয়স্থলগুলো পরিদর্শন করবেন। সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে সেল। বিভিন্ন সংস্থার কাজের তথ্য-উপাত্ত প্রতিনিয়ত নিয়ে সমন্বিত হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রস্তুত রাখবে। যে-কোনো সময় সরকারের প্রয়োজনে প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিবের কাছে জমা দেবে সেল।

জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক অধিশাখা-১ থেকে তৈরি করা সেলের কর্মপরিধি অনুযায়ী শরণার্থী আগমণের প্রতিদিনের তথ্যাদি, পুশব্যাক, বায়োমেট্রিক ছাপসহ সর্বশেষ গণনা, সীমান্তবর্তী এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ভূত অন্যান্য পরিস্থিতি, শরণার্থীদের আবাসন ও মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত কার্যক্রম, মানবিক সহায়তা প্রদানে নিয়োজিত বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রম, ঐ অঞ্চলে বিদেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সফর এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত খোঁজ-খবর প্রভৃতি সকল তথ্যই নিতে হবে সেলকে।

জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন সেল গঠনের সত্যতা জানিয়ে বলেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু দেশের জন্য ক্ষতিকর হয় সে ধরনের কাজ করতে দেওয়া হবে না। কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়া পেরিয়ে জেলা শহর বা অন্যান্য এলাকায় তারা যাতে অবস্থান নিতে না পারে, সেজন্য পুলিশ ও বিজিবিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে সাহায্যের ছদ্মাবরণে কোনো সংস্থা বা সংগঠন জঙ্গি কার্যক্রম চালাতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাঠকের মতামত

Single Page Bottom

বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন ...

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করতে হাইকোর্টের রুল

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নিশ্চিতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ...

মিয়ানমারের নতুন বাস্তবতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মধ্যস্থতা করবে চীন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি ...

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল কমিটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ১১ সদস্যের ‘রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। ...
Single Page Footer